অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ, ইউএনডিপি'র দুটি নতুন প্রকল্প চুক্তি স্বাক্ষর

Strengthening Trade Policy, Institutional Capacity, and Transparent Governance for Bangladesh’s Post-LDC Transition

February 9, 2026
Two men sign documents at a table with flowers and a Bangladesh flag nearby.
©UNDP Bangladesh

অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ERD) এবং জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি) আজ ট্রান্সফরমেটিভ ইকোনমিক পলিসি প্রোগ্রাম (TEPP) ফেজ–II এবং ইনস্টিটিউশনাল স্ট্রেংদেনিং ফর প্রমোটিং অ্যাক্সিলারেটেড ট্রান্সফরমেশন (ISPAT), শীর্ষক দুইটি নতুন চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ কার্যালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সরকারের ঊর্ধ্বতন প্রতিনিধি, ইউএনডিপি নেতৃত্ব এবং আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগীরা উপস্থিত ছিলেন।

অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব মোঃ শাহ্‌রিয়ার কাদের ছিদ্দিকী এবং ইউএনডিপি বাংলাদেশের আবাসিক প্রতিনিধি, স্টেফান লিলার নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

TEPP ফেজ–II জানুয়ারি ২০২৬ থেকে মার্চ ২০২৮ পর্যন্ত বাস্তবায়িত হবে। যুক্তরাজ্য সরকারের অর্থায়নে ৩.৫৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বাজেটের এই প্রকল্পের লক্ষ্য হলো এলডিসি উত্তরণের পর বাংলাদেশের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ নীতি–পরিবেশকে আরও প্রতিযোগিতামূলক ও কার্যকর করে তোলা। প্রকল্পটি বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ-এর সাথে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে বাণিজ্য আলোচনার সক্ষমতা বৃদ্ধি, প্রমাণভিত্তিক নীতি বিশ্লেষণ, প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার এবং বিনিয়োগ–বান্ধব সেবা উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দেবে। ISPAT প্রকল্পটি জানুয়ারি ২০২৬ থেকে জুন ২০২৭ পর্যন্ত বাস্তবায়িত হবে। অস্ট্রেলিয়া সরকারের ১.০৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার সহায়তায় বাস্তবায়িত এ প্রকল্পের লক্ষ্য হলো এনজিও বিষয়ক ব্যুরোকে আরও আধুনিক, প্রযুক্তিনির্ভর এবং জবাবদিহিমূলক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করা। ডিজিটাল সিস্টেম শক্তিশালীকরণ, সেবায় স্বচ্ছতা ও জেন্ডার সংবেদনশীলতা বৃদ্ধি, নীতি সংস্কার এবং মানবসম্পদ উন্নয়ন এ প্রকল্পের মূল অগ্রাধিকার। 

অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব মোঃ শাহ্‌রিয়ার কাদের ছিদ্দিকী  বলেন, “এই দুটি প্রকল্প আমাদের প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি, স্বচ্ছতা উন্নয়ন, জবাবদিহিমূলক প্রশাসন এবং প্রমাণভিত্তিক নীতি প্রণয়নের প্রতি সরকারের প্রতিশ্রুতিকে আরও সুদৃঢ় করে। আমরা এমন দক্ষ ও আত্মবিশ্বাসী প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে চাই, যারা এলডিসি-পরবর্তী রূপান্তরের সময়ে সুশাসন ও টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে এগিয়ে নিতে সক্ষম হবে।” 

ইউএনডিপি বাংলাদেশের আবাসিক প্রতিনিধি স্টেফান লিলার বলেন, “এই দুই প্রকল্প বাংলাদেশের অর্থনৈতিক রূপান্তর ও শাসন ব্যবস্থার জন্য অত্যন্ত কৌশলগত এবং পরিবর্তনধর্মী। এগুলো প্রয়োজনীয় প্রতিষ্ঠান ও নীতি–পরিবেশকে শক্তিশালী করবে, যা দেশের উন্নয়ন যাত্রার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সরকার ও উন্নয়ন সহযোগীদের সাথে ইউএনডিপি ভবিষ্যতমুখী এবং দীর্ঘমেয়াদে টেকসই প্রভাব রাখতে পারে, এমন প্রকল্প অব্যাহত রাখবে ।”